বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে?

মহান আল্লাহ তালা বলেছেন

বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে

। অথচ আমাদের দেশের নাস্তিকরা কিভাবে ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে দিচ্ছে তার একটা উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে এই কথাটার বিরোধিতা আর হাস্যকর কিছু যুক্তি প্রমাণ হাজির করা। বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে মহান আল্লাহ তালা নিজে এই দায়িত্ব নিয়েছেন।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন-وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ বিয়ে করো,তোমায় প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমি আল্লাহর। অভাবে আছো অভাব দূর করে দেব। আল্লাহ বলেন ধনী হতে চাও বিয়ে করো।

 বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে?


কিন্তু আসলেই কি

বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে?

বিয়ের পর কি অভাব দূর হয়ে যাবে? যদি তাই হতো পৃথিবীতে কেন এত অভাব অনটন? আর যদি বিয়ে করলে রিজিক না বাড়ে তাহলে তো কুরআনে মিথ্যা বলেছে।

বিষয়টা একটা গল্প আকারে বলি।

একটা ছেলে গিয়ে একটা হুজুরের কাছে বলতেছে হুজুর বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে কথাটা মিথ্যা। হুজুর তো অবাক হয়ে প্রশ্ন করলেন বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে কথাটা স্বয়ং আল্লাহ তালা বলেছেন। তাহলে তোমার কাছে কেন মিথ্যা মনে হচ্ছে?

তখন যুবকটি বললেন আমি বিয়ে করার পর রিজিক বাড়ে নি বরং আরো খারাপ হয়েছে। হুজুর তখন প্রশ্ন করলেন তিনি কত বছর বয়সে বিয়ে করেছেন। যুবকটি উত্তর দিলো ৩২বছর বয়সে। হুজুর এবার বললেন তুমি কি তোমার যুবক বয়সে কোন পাপ কাজ করোনি? যুবক উত্তর দিলো ওই বয়সে একটু উলটা পালটা তো হয়েই থাকে। হুজুর এবার প্রশ্ন করলেন তাহলে তুমি কেন ২২/২৩ বছরে বিয়ে না করে এই ৩২ বছর বয়সে বিয়ে করতে গেলে? তখন যুবকটি উত্তর দিলো প্রতিষ্ঠিত হতে হতেই বয়স ৩২ হয়ে গেলো। যদি ২২/২৩ বছরে যদি বিয়ে করতাম তাহলে বউকে কি খাওয়াতাম?

হুজুর এবার যুবকটিকে উদ্দেশ্য করে বললেন তোমার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এই লাইনেই নিহিত আছে। মহান আল্লাহ তালা প্রত্যেক সামর্থবান যুবককে বিয়ে করতে বলেছেন যাতে তারা নিজেদেরকে পাপ কাজ অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখতে পারে। আর্থিক অনটন দূর করতে বিয়ে করলে রিজিক বাড়িয়ে দিবেন বলেছেন অথচ আমাদের সমাজের যুবকেরা আর্থিক সংগতির কারন দেখিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে চায়। বিয়ে করে যুবক বয়স শেষ হওয়ার পর অথচ যুবক বয়সে যৌবনের তাড়নায় ঠিকই পাপ কাজে লিপ্ত হয়। তাহলে মহান তালা তাদের বিয়ের পর কেন রিজিক বাড়িয়ে দেবেন, তারা তো নিজেরদের রিজিকের দায়িত্ব নিজেরাই কাধে তুলে নিয়েছেন অর্থাৎ আল্লাহ তালার উপর বিশ্বাস রাখতে পারেননি।এখন যুবকেরা কিভাবে আশা করে মহান আল্লাহ তালা এখনো তার উপর রহমত বর্ষন করবেন।এখন বিয়ে করলে রিজিক বাড়িয়ে দেবেন


যেকোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে গেলে আপনাকে সেই চাকরির রুলগুলো ফলো করতে হবে, রেগুলার অফিসে দায়িত্ব পালন করতে হবে ।

আপনি কোন রুল ফলো করলে চললেন অথচ মাস শেষে গিয়ে বেতন চাইলেন তাহলে প্রতিষ্ঠান কি আপনাকে বেতন দিতে বাধ্য? তেমনি মহান আল্লাহ তালা আমাদের উপর কিছু রুল জারি করেছেন, দৈনিক পাচ বার তার ঘর মসজিদে হাজিরা দিতে বলছেন। উনার রুল ফলো করার পর যদি কেও বিয়ে করে আল্লাহ তালা অবশ্যই তার রিজিক বাড়িয়ে দিবেন। সুতরার বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে কথাটা ধ্রুব সত্য।

Post a Comment

0 Comments